আপডেট

কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে যেভাবে ২৫ লক্ষ টাকা আত্মকর্মসংস্থান লোন পাবেন

কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে যেভাবে ২৫ লক্ষ টাকা আত্মকর্মসংস্থান লোন পাবেন। দেশের যুবকদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্তকরণ, আত্মকর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরশীল হয়ে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে কর্মসংস্থান ব্যাংক বেকার/অর্ধ বেকারদের ২৫ লক্ষ টাকা আত্মকর্মসংস্থান লোন দিবে। যা মৎস্য চাষ, পোল্ট্রি ফার্ম, গবাদিপশু মোটাতাজাকরণ, দুগ্ধ খামার, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণসহ কুটির শিল্পে বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান করে দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়তা করবে।

কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে যেভাবে ২৫ লক্ষ টাকা আত্মকর্মসংস্থান লোন পাবেন ও ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা 

  •  বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
  •  স্থায়ী বাসিন্দা না হলে শাখার একজন স্থায়ী বাসিন্দাকে ঋণের গ্যারান্টার হতে হবে;
  •  আবেদনকারীকে বেকার/অর্ধ বেকার হতে হবে;
  •  বয়স সাধারণত ১৮ হতে ৫০ বছর হতে হবে। কর্মসংস্থান ব্যাংকের পুরাতন ঋণগ্রহীতাদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলযোগ্য;
  • প্রকল্প/প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষমতা থাকতে হবে ;
  •  প্রকল্প/প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিষয়ে প্রশিক্ষণ/অভিজ্ঞতা থাকতে হবে;
  •  ঋণ ব্যবহারের যোগ্যতাসহ ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা ও আর্থিক আচরণে সুনামের অধিকারী হতে হবে;
  • অন্য কোনো ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান/এনজিও অথবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণখেলাপী যোগ্য বিবেচিত হবেন না।

ঋণসীমা:

  •  একক ব্যক্তির ক্ষেত্রে – সর্বোচ্চ ২৫.০০ (পঁচিশলক্ষ টাকা;
  •  ০৫ (পাঁচজনের গ্রুপের ক্ষেত্রে – সর্বোচ্চ ৫০.০০ (পঞ্চাশলক্ষ টাকা;

কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে যেভাবে ২৫ লক্ষ টাকা আত্মকর্মসংস্থান লোন পাবেন : ঋণ প্রস্তাবের সাথে প্রয়োজনিয় কাগজপত্র 

  •  প্রকল্প এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের ঋণ প্রদানকারী শাখায় নির্ধারিত ফরমে ঋণের আবেদন;
  •  আবেদনকারীর সদ্য তোলা ০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি;
  •  গ্যারান্টারের সদ্য তোলা ০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি;
  •  উদ্যোক্তা/গ্যারান্টারের স্থায়ী বাসিন্দার প্রমাণপত্র হিসেবে উদ্যোক্তা/গ্যারান্টারের দলিল/পর্চার ফটোকপিসহ স্থানীয় ইউ.পি চেয়ারম্যান/পৌর মেয়র/ সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলার কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদপত্র;
  •  শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);
  •  প্রশিক্ষণ/অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);
  •  ভাড়া/লীজ-এর ক্ষেত্রে প্রমাণপত্র/ব্যবস্থাপকের প্রত্যয়নপত্র;
  •   প্রকল্পস্থানের মালিক গ্যারান্টার হলে গ্যারান্টারের সম্মতিপত্র;
  •  ভাড়া/লীজকৃত হলে ভাড়া চুক্তিপত্র/লীজপত্রের কপি;
  •  যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ঋণের ক্ষেত্রে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ০৩টি দরপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ;
  •  ১,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে ঋণের ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ;
  •  ড্রাগ লাইসেন্সের কপি (ঔষধের দোকানের ক্ষেত্রে);
  •  প্রকল্প/প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় বিবরণী।

মঞ্জরি কৃত ঋণ প্রদনের জন্য দলিলপত্র/কাগজপত্র :(কর্মসংস্থান ব্যাংক বেকার/অর্ধ বেকারদের ২৫ লক্ষ টাকা আত্মকর্মসংস্থান লোন)

৫,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত ঋণ জামানতবিহীন।

(ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে :

এস.এ/আর.এস খতিয়ান, সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান এবং ঐ খতিয়ান নিজের নামে না থাকলে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট।

(কবলা/দানপত্র/লীজ/দেওয়ানী আদালতের ডিক্রিসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে :

০১) কবলা/দানপত্র/লীজপত্র/দলিলের আসল কপি, দেওয়ানী আদালতের রায়/ডিক্রির সহিমোহর নকল ;

০২) কবলা/দানপত্রসূত্রে মালিকানাপ্রাপ্ত হলে দলিলগ্রহীতার নামের খতিয়ান। দলিলগ্রহীতার নামের খতিয়ান না থাকলে বিক্রেতা/দানপত্র দাতার নামের খতিয়ান ;

০৩) আদালতের ডিক্রিসূত্রে মালিকানাপ্রাপ্ত হলে সেক্ষেত্রে ডিক্রিসূত্রে খতিয়ানের আসল অথবা সহিমোহর নকল।

 ,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে সকল ক্ষেত্রে :

(ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে :

০১) এস.এ/আর.এস খতিয়ান, সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান এবং ঐ খতিয়ান নিজের নামে না থাকলে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট ও মিউটেটেড

খতিয়ান (ডি.সি.আর কপিসহ) এবং হাল নাগাদ খাজনার রশিদ। ওয়ারিশ সার্টিফিকেট আদালত ব্যতীত ইউনিয়ন/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক প্রদত্ত হলে তাও এ ক্ষেত্রে গ্রহণ যোগ্য হবে ;

০২) ঋণগ্রহীতা এবং গ্যারান্টার উভয়েরই জাতীয় পরিচয়পত্র।

(কবলা/দানপত্র/লীজ/দেওয়ানী আদালতের ডিক্রিসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে :

০১) কবলা/দানপত্র/লীজপত্র/দলিলের মূল দলিলপত্র, দেওয়ানী আদালতের রায়/ডিক্রির সহিমোহর নকল ;

০২) কবলা/দানপত্রসূত্রে মালিকানাপ্রাপ্ত হলে অন্যান্য খতিয়ানের সাথে দলিলগ্রহীতার নামে মিউটেটেড খতিয়ান (ডি.সি.আর কপিসহ) ;

০৩) আদালতের ডিক্রিসূত্রে মালিকানাপ্রাপ্ত হলে সেক্ষেত্রে মিউটেটেড খতিয়ানের (ডি.সি.আর কপিসহ) মূল দলিলপত্র অথবা সহিমোহর নকল।

 ,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে প্রকল্প চলতি মূলধন ঋণের ক্ষেত্রে :

০১) সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে প্রকল্প স্থাপনের অনুমতিপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে);

০২) বিসিক কর্তৃক বরাদ্দকৃত জমির ক্ষেত্রে মূল বরাদ্দপত্র, দখলী সত্ত্ব বুঝিয়ে দেয়ার পত্র, হালনাগাদ কিস্তি পরিশোধের প্রত্যয়ন এবং ঋণ বিতরণের পূর্বে সমূদয় কিস্তি পরিশোধপূর্বক প্রয়োজনীয় সম্পাদিত মালিকানা দলিল ;

০৩) আয়কর পরিশোধের দালিলিক প্রমাণ (যদি আয়কর দাতা হন);

০৪) সরকার বা অন্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বরাদ্দকৃত জমির ক্ষেত্রে ভূমি মন্ত্রণালয়/সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হতে ব্যাংকের নিকট জমি বন্ধক রেখে ঋণ গ্রহণে অনাপত্তিপত্র;

০৫) নিজস্ব বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের উৎস সম্পর্কে ঘোষণা;

০৬) প্রকল্প জমির হাতে আঁকা রুট-ম্যাপ;

০৭) হাতে আঁকা প্রকল্পের সাইট প্ল্যান/লে-আউট প্ল্যান ;

০৮) প্রজেক্ট প্রোফাইল, যার মধ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্য ডিজাইন/ড্রইং, কারিগরি ব্যবস্থাপনা, মোট প্রকল্প ব্যয়, নির্মাণ খরচের বিস্তারিত হিসাব,(আর্থিক বিশ্লেষণ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এক্ষেত্রে ১০.০০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত প্রকল্প ব্যয়ের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা নিজে এবং ১০.০০ (দশ) লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে প্রকল্পের ক্ষেত্রে পুরকৌশলীর সহায়তা নেয়া যেতে পারে) ;

০৯) প্রকল্পের প্রয়োজনীয় আমদানীযোগ্য বৈদেশিক যন্ত্রপাতির জন্য স্থানীয় ইন্ডেন্টার কর্তৃক দাখিলকৃত ০৩টি প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র (ক্যাটালগ, বিস্তারিত স্পেসিফিকেশনসহ) ;

১০) স্থানীয় যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ০৩টি প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র (প্রয়োজনবোধে ক্যাটালগসহ);

১১) পিডিবি/ডেসা/ডেসকো/আরইবি/গ্যাস ট্রান্সঃ এন্ড ডিষ্ট্রিঃ কোঃ হতে বিদ্যুৎ/গ্যাস সরবরাহের সম্মতিপত্র (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে);

১২) পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে ছাড়পত্র (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)।

১৩) হাল নাগাদ খাজনা পরিশোধের রশিদ ;

Importer required documents and procedures/formalities for Import.

ব্যাখ্যা চেয়ে ইউনিয়ন ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button